Powered By Blogger

Sunday, November 2, 2014

Buy memory cards ...? Find out the best way to recognize the memory card ...


ডেইলি টিপস ডেস্ক: Md. Ripon Khan

বর্তমান সময়ে প্রায় প্রতিটি ডিভাইসেই মেমোরি কার্ড ব্যবহার করা হয়।
গুনগত মান সম্পর্কে না জানার কারনে, স্বভাবতই বাজে কার্ড কেনার কারনে গুরুত্বপূর্ণ ছবি, ডাটা হারিয়ে যায়। আপনাদের সাথে আজ সে বিষয়ে পরিচয় করিয়ে দিব, যাতে পরবর্তী সময়ে উপকার হয়।

লাইফ-টাইম:
সকল ব্র্যান্ডেড মেমোরী কার্ডের সাথে বলে দেয়া হয় “লাইফ-টাইম গ্যারান্টি”।  অনেকেই মনে করছেন হয়ত লাইফ-টাইম মানে আজীবন যে কোনও সময় সমস্যা হলেই
গ্যারান্টি পাওয়া যাবে, আর লাইফ-টাইম কথাটির মানেও তো আসলে তাই। কিন্ত এই
জীবন সেই জীবন না, তা মেমোরী কার্ডের প্যাকেজিং পড়লেই বোঝা সম্ভব।

মেমোরী কার্ড তৈরিতে ব্যবহার করা হয় ফ্ল্যাশ মেমোরী সার্কিট। এসব সার্কিট থেকে কত বার ডাটা পড়া যাবে ও ডাটা লেখা যাবে সেটির একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ রয়েছে, কমদামীর ক্ষেত্রে হয়ত ১০,০০০ বার আর বেশী দামীর ক্ষেত্রে হয়ত ১০০,০০০ বার বা ১,০০০,০০০ বার ও হতে পারে। এই রিড/রাইট সাইকেলের লিমিটকেই ধরা হয় মেমোরী কার্ডটির লাইফ-টাইম। অর্থাৎ, গ্যারান্টি ততদিনই পাবেন যতদিন এই লাইফ-টাইম পার না হবে – মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই লিমিটের পর কার্ডটি এমনিতেই নষ্ট হয়ে যাবে, তখন দেখা যাবে কার্ড করাপ্ট আর ফরম্যাট করাও সম্ভব হচ্ছেনা।

যা দেখে কিনবেন:
মেমোরী কার্ডের গ্যারান্টি না দেখে বরং সেটার লাইফ-টাইম রিড-রাইট সাইকেল
কতবার সেটা দেখা উচিৎ । যত বেশী হবে সেটি তত ভালো, অন্তত ১০০,০০০ বার না হলে সেটি কেনা উচিৎ নয় (যদি না আপনি কার্ডটি শুধু ডাটা ব্যাকাপ রাখার কাজে ব্যবহার না করেন, মানে ফোনে বা ট্যাবে লাগানো অবস্থায় থাকবেনা)।

কার্ডটির ক্লাস:
মেমোরী কার্ডের ব্যবহারিক সুবিধা অনেকটাই নির্ভর করে সেটির রিড/রাইট স্পিডের ওপর। বিশেষ করে ডিএসএলআর ক্যামেরা বা হাই- ডেফিনেশন ভিডিও করার সিস্টেম সহ ফোনের জন্য এটি একটা বড় ব্যাপার। তবে এই রিড-রাইট স্পিড বোঝার সবচাইতে সহজ উপায় হচ্ছে কার্ডটির ক্লাস দেখে কেনা। ক্লাসটি মেমোরী কার্ডের গায়ে @ এর মত করে লেখা থাকে।

ক্লাস ২ = ২মেগাবাইট
প্রতি সেকেন্ডে রাইট করা সম্ভব

ক্লাস ৪ = ৪মেগাবাইট
প্রতি সেকেন্ডে রাইট করা সম্ভব

ক্লাস ৬ = ৬মেগাবাইট
প্রতি সেকেন্ডে রাইট করা সম্ভব

ক্লাস ৮ = ৮মেগাবাইট
প্রতি সেকেন্ডে রাইট করা সম্ভব

ক্লাস ১০ = ১০মেগাবাইট
প্রতি সেকেন্ডে রাইট করা সম্ভব

ক্লাস U1 = ১০ মেগাবাইটের ওপর
স্পিডে রাইট করা যাবে প্রতি সেকেন্ডে

এইচডি ১০৮০পি ভিডিও রেকর্ড করার জন্য অন্তত ক্লাস ৬ কার্ড কেনা উচিৎ।
তবে ৬ এর চাইতে ক্লাস ১০ বা ক্লাস U1 আরও বেশী পাওয়া যাচ্ছে বাজারে।

(তবে নকল কার্ডের গায়ে লেখা ক্লাস সম্পূর্ণ ভুয়া। সেগুলো ২ বা ৪ ক্লাসের বেশী নয়)

কার্ডটির সত্যিকারের নির্মাতা কে:
মেমোরী কার্ড কিনতে গেলে ব্র্যান্ডের অভাব পড়েনা। স্যামসাং, তোশিবা, ট্র্যানসেন্ড, এ-ডাটা, এপ্যাসার, স্যানডিস্ক ইত্যাদি নামের কার্ড পাওয়া যায়। তবে কেনার সময় এই বিষয়ে সতর্কতা প্রয়োজন:

- স্যামসাং এর তৈরি কার্ড বাংলাদেশে খুব কম পাওয়া যায়। ৯০% ক্ষেত্রেই নিম্নমানের কার্ড স্যামসাং এর নামে বাজারজাত করে অসাধু ব্যবসায়ীরা।

- তোশীবার কার্ড ও একই, বেশীরভাগই নকল কার্ড।

- স্যান ডিস্কের ক্ষেত্রেও অনেকটাই এমন, তবে U1 কার্ডগুলো নকল হবার সম্ভাবনা কম। ভালো দোকান থেকে কিনুন। কার্ড কেনার সময় কার্ডের গায়ে কোনও হলোগ্রাম আছে কিনা দেখে নিন।

ট্র্যানসেন্ড, এ-ডাটা বা এপ্যাসার নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই, এদের কার্ড অরিজিনাল প্রচুর পাওয়া যায় ও লাইফ-টাইম ও ১০০,০০০ বার এর বেশী।




No comments:

Post a Comment